মেনু নির্বাচন করুন
পাতা

বার্ষিক কর্মসম্পাদন চুক্তি

সাম্প্রতিক বছরসমূহের (৩ বছর) প্রধান অর্জনসমূহ

খুলনা ও বরিশাল বিভাগের গৌরবময় ঐতিহ্য ও কৃষ্টি সমৃদ্ধ সভ্যতার নিদর্শনসমূহের প্রত্নতাত্ত্বিক জরিপ, অনুসন্ধান, খনন, সংগ্রহ, প্রত্নবস্তুর নিবন্ধীকরণ, সংস্কার-সংরক্ষণ ও প্রদর্শন এবং তদসংক্রান্ত গবেষণা ও প্রকাশনামূলক কার্যাবলির মাধ্যমে খুলনা আঞ্চলিক পরিচালক অফিস বিভিন্ন কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে ।

  • ০৫টি জেলায় যথা: কুষ্টিয়া, মেহেরপুর, নড়াইল, চূয়াডাঙ্গা ও পটুয়াখালীতে প্রত্নতাত্ত্বিক জরিপ ও অনুসন্ধান এবং ০২ বিভাগের (খুলনা ও বরিশাল) সংরক্ষিত পুরাকীর্তিসমূহের হালনাগাদ জরিপ কার্যক্রম পরিচালনা করা ।
  • ০৪টি  প্রদর্শনীকেন্দ্র/ জাদুঘর: মেহেরপুর আমঝুপি নীলকুঠি, ভরতভায়না যশোর, কালুপোল রাজারভিটা চূয়াডাঙ্গা ও হাজী মুহাম্মদ মহসীনের ইমামবাড়া যশোর প্রদর্শনীকেন্দ্র/ জাদুঘর উদ্বোধন  করা।
  • ৩ টি জেলার ৪টি প্রত্নস্থলে প্রত্নতাত্ত্বিক খনন কার্যক্রম পরিচালনা।  যথা: (বাগেরহাট জেলার খান জাহান (র:) বসত ভিটা, চুড়াডাঙ্গা জেলার কালুরপোল ও চারুলিয়া ঢিবি এবং সাতক্ষীরা জেলার ঝুড়িঝারা ঢিবি)।
  • “খুলনা বিভাগের গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি পুরাকীর্তির সংস্কার-সংরক্ষণ ও উন্নয়ন” শীর্ষক কর্মসূচির মাধ্যমে গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি প্রত্নস্থলের সংস্কার-সংরক্ষণ, অবকাঠামোগত উন্নয়ন, প্রত্নস্থলের সম্পর্কিত তথ্যপত্র ও প্রামান্যচিত্র তৈরি সম্বলিত (ব্রুশিয়র) প্রকাশ প্রভৃতি কার্যক্রম সম্পাদিত হয়েছে। 
  • খুলনা ও বরিশাল বিভাগের ৭ টি প্রদর্শনীকেন্দ্র/জাদুঘর যথা: খুলনা বিভাগীয় জাদুঘর, বরিশাল বিভাগীয় জাদুঘর, বাগেরহাট জাদুঘর, এম.এম. দত্তবাড়ী জাদুঘর, চাখার শের -ই- বাংলা স্মৃতি জাদুঘর, শিলাইদহ রবীন্দ্র স্মৃতি জাদুঘর এবং দক্ষিনডিহি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের শ্বশুরবাড়ী প্রদর্শনীকেন্দ্র/জাদুঘরে সার্বক্ষণিক নিরাপত্তার প্রয়োজনে সি. সি. টিভি ক্যামেরা স্থাপন করা।
  • খুলনা ও বরিশাল বিভাগের ৪ টি প্রদর্শনী কেন্দ্র/জাদুঘরে শিশুকর্ণার স্থাপন করা। যথা: (বরিশাল বিভাগীয় জাদুঘর, বাগেরহাট জাদুঘর, এম. এম. দত্তবাড়ী এবং শিলাইদহ রবীন্দ্র কুঠিবাড়ি জাদুঘর)।
  • সমস্যা এবং চ্যালেঞ্জসমূহ

প্রত্নতাত্ত্বিক ঐতিহ্যের প্রতি আকর্ষিত সংস্কৃতিমনষ্ক মেধাবী জাতি ও সমাজ গঠনের জন্য সমগ্র দক্ষিণবঙ্গে কার্যক্রম পরিচালনার জন্য দক্ষ জনশক্তি, উপযুক্ত প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামোর স্বল্পতা, অর্থ স্বল্পতা এবং প্রত্নতাত্ত্বিক ঐতিহ্য সম্পর্কে জনসচেতনার অভাব আঞ্চলিক পরিচালকের কার্যালয়, খুলনা এর অন্যতম সমস্যা ও চ্যালেঞ্জ । অবসরগ্রহণ জনিত কারণে বিদ্যমান জনশক্তি হ্রাস পাচ্ছে। সমুদ্র উপকূলবর্তী অঞ্চল হওয়ায় জলবায়ুর প্রভাবে প্রত্নস্থল সমূহে পরিবেশগত ক্ষয় এর কারণে দীর্ঘমেয়াদী সংরক্ষণ প্রক্রিয়া বাধাগ্রস্থ হচ্ছে। অধিকাংশ সংরক্ষিত প্রত্নস্থলের ভূমি সরকারের অনুকূল না থাকায় প্রত্নস্থল সমূহে উৎখনন, সংস্কার-সংরক্ষণ ও অবকাঠামোগত উন্নয়ন সম্পাদনে প্রতিনিয়ত সমস্যা ও চ্যলেঞ্জের মুখোমুখি হতে হচ্ছে।

  • ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা

দক্ষিণবঙ্গের সাংস্কৃতিক ও প্রত্নতাত্ত্বিক ঐতিহ্যের সংস্কার-সংরক্ষণ, উৎকর্ষ সাধন ও পরিচর্যার জন্য দক্ষ জনশক্তি তৈরি করে তাদের মাধ্যমে তা কার্যকর করা। এছাড়া প্রত্নতাত্ত্বিক জরিপ, অনুসন্ধান ও উৎখননে প্রাপ্ত  নতুন খননস্থল  ও নিদর্শন সমূহের ডকুমেন্টশন করাসহ প্রদর্শনযোগ্য করে উপস্থাপনের লক্ষ্যে কাজ করা। ক্রমান্বয়ে দীর্ঘমেয়াদী বন্দোবস্ত ও অধিগ্রহণের মাধ্যমে সংরক্ষিত প্রত্নস্থলসমূহের ভূমি প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের অধীনে আনা।

২০১৯-২০ অর্থবছরের সম্ভাব্য প্রধান অর্জনসমূহ

* ০২টি প্রত্নস্থলে প্রত্নতাত্ত্বিক খনন কার্যক্রম পরিচালনা।

* এ দপ্তরের অধিনস্ত প্রতিটি জাদুঘর ও লাইব্রেরীতে বঙ্গবন্ধু গ্যালারী ও কর্ণার স্থাপন করা।

* প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন (Antiquities) সংগ্রহ।

* সাতক্ষীরা জেলায় প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন কেন্দ্রীক জাদুঘর নির্মাণ ও দর্শকদের জন্য উন্মুক্ত করা  ।

* ০১ টি প্রশিক্ষণ কোর্সের আয়োজন ।

* কালচারাল হেরিটেজ টু্রিজম বাস্তবায়নের উদ্যোগ গ্রহণ ।

                  

ছবি


সংযুক্তি


সংযুক্তি (একাধিক)

বার্ষিক কর্মসম্পাদন চুক্তি বার্ষিক কর্মসম্পাদন চুক্তি



Share with :

Facebook Twitter